Inlägg

কাউন্টার টেরোরিজম এর প্রধান মনিরুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, গুলশানের হলি আর্টিসানে যে জঙ্গী হামলা হয়েছিলো সেই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হচ্ছে সুভাষ গান্ধী নামে এক হিন্দু।

কাউন্টার টেরোরিজম এর প্রধান মনিরুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, গুলশানের হলি আর্টিসানে যে জঙ্গী হামলা হয়েছিলো সেই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হচ্ছে সুভাষ গান্ধী নামে এক হিন্দু। আর গুলশান হামলার অস্ত্র এসেছে ভারত থেকে। বাংলাদেশ মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। রাজীব গান্ধী ওরফে সুভাস গান্ধী ওরফে শান্ত হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের কমান্ডিং পর্যায়ের নেতা। গুলশান ও শোলাকিয়ায় হামলার আগে যখন জানতে পারলো, হামলার জন্য প্রশিক্ষিত জনশক্তি দরকার। তখন রাজীব গান্ধী গুলশান হামলার জন্য  দুজন এবং শোলাকিয়ায় হামলার জন্য একজন প্রশিক্ষিত জঙ্গিকে সরবরাহ করেন। যারা উভয় হামলার ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়া কয়েকদিন আগে গাইবান্ধার চরে যেসব জঙ্গী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে মারা গিয়েছে তাদের মধ্যে এই সুভাষ গান্ধীও ছিলো। সুত্র:- ( https://goo.gl/DmoaSZ ) মূলত ভারতই এসব জঙ্গী নামধারী জেএমবি ও আইএস পরিচালনা করে বাংলাদেশের ভেতর হামলা চালাচ্ছে। ২০০১ সালে যে সিরিজ বোমা হামলা করেছিলো জেএমবি তার পেছনেরও ছিল ভারত। ভারতের অস্ত্র এবং আর্থিক সহযোগীতায় জেএমবি বাংলাদেশের সিরিজ বোমা হামলা করেছিলো। এছাড়া ভারতের ...

গরু কারো মা না - ভারতের বিচারপতি

Bild
গরু হিন্দুদের মা হলে হিন্দুরা হলো গরুর বাছুর !! ‘গরু শুধু একটি প্রাণী এবং একটি প্রাণী কারো মা হতে পারে না বলে মন্তব্য করল ভারতীয় প্রেস কাউন্সিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি মার্কেন্ডেয় কাটজু। শুধু তাই নয় সে গরুর গোশত সম্পর্কে প্রশ্ন রেখে বলে, ‘সারা বিশ্বের লোকজন গরুর মাংস খায় বলে তারা খারাপ আর আমরা (ভারতীয়রা) খাই না বলে সাধু সন্ন্যাসী হয়ে গেছি? লোকজন গরুর মাংস খেলে ক্ষতি কী? আমি গরুর মাংস খেয়েছি এবং খাওয়া অব্যাহত রাখব। এর আগে এক টুইট বার্তায় তিনি লেখ েন, তিনি আগেও গরু খেয়েছেন, ভবিষ্যতেও খাবেন। বরং এখন থেকে আরো বেশি করে খাবেন। হিম্মত থাকলে এ বিষয়টি নিয়ে কেউ তার সামনে এসে মেরে দেখাক।কাটজুর মতই ভারতের বহু উদারমনা ব্যক্তিত্ব গরুর মাংস নিয়ে হিন্দু জঙ্গিদের উন্মত্ততার নিন্দা জানাচ্ছেন কিন্তু উগ্র হিন্দুরা গরুর গোশত খাওয়ার বিরোধী। সাবেক এই বিচারপতি, গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগে উত্তর প্রদেশের দাদরিতে মোহাম্মদ আখলাক নামে এক মুসলিম বৃদ্ধকে নির্মমভাবে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন।

একজন নীতিবান বাংলাদেশী হিন্দুর কাহিনী : যিনি হজ্জের টাকা মেরে ভারতে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন

Bild
একজন নীতিবান বাংলাদেশী হিন্দুর কাহিনী : যিনি হজ্জের টাকা মেরে ভারতে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন নাম তার সৌমেন্দ লাল চন্দ শৈলেন। বাবা ছিলেন চা-সিগারেটের দোকানি। তিনি থাকতেন বাংলাদেশে, কিন্তু তার ভাইবোনরা থাকতো ভারতে। ভাইবোনরা ভারতে বিভিন্ন দোকানের নিম্নকর্মচারি হিসেবে কাজ করতো। হঠাৎ আওয়ামী রাজনীতি জোরে শৈলেন হয়ে গেলো ধর্ম প্রতিমন্ত্রী (সাবেক) শাহাজাহান মিয়ার এপিএস। ব্যস তাকে আর পায় কে ? মসজিদ বানাতে ঘুষ দিতে হয় শৈলেনকে, হজ্জে যেতে হলে ঘুষ দিতে হয় শৈলেন কে। শুধু ৪০৩টি হজ্ব এজেন্সির ল াইসেন্স দেয়া নামে হাতিয়ে নেয় ৫০ কোটি টাকা। হজের সময় মেডিকেল সাপ্লাই, বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসার দান-অনুদান এবং মন্ত্রণালয়ের ঠিকাদারি খাতে নির্দিষ্ট অংকের পার্সেন্টিজ দিতে হতো শৈলেনকে। জানা যায়, ব্যক্তিগত জীবনে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন না ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শাহজাহান মিয়া। আর এই সুযোগে সবার থেকে ঘুষ চেয়ে বসতো শৈলেন। তাকে এড়িয়ে প্রতিমন্ত্রীর কাছে পৌঁছাটাও ছিল কঠিন। শৈলেন এপিএস নিয়োগ হওয়ার পরই পাল্টে যায় ভারতে থাকা তার ভাইবোনদের জীবন যাত্রা। শৈলেনের ভাই রবিন চন্দ কোলকাতার ৪ নং সন্তোষ রাইবাজার রোডে একটি বাড়ির মাল...

ভারতে দাঙ্গার ইতিহাস

ভারতে দাঙ্গার ইতিহাস অনেকেই ভারতে বড় দাঙ্গার কথা বললে শুধু গুজরাটের দাঙ্গা নিয়ে আসে, কিন্তু ভারতে কি শুধু গুজরাটেই মুসলিম নিধনে বড় দাঙ্গা হয়েছিল?? না....... ১৯৬১-এর অক্টোবরে আলিগড় মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৬২-তে মধ্য প্রদেশের জাবালপুরে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৬৪-তে মহারাষ্ট্রের ভিভান্ডিতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৬৭-তে বিহারের রানচিতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৬৯-তে গুজরাটের আহমেদাবাদে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৭০-এ মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্দি, জালগন ও মালাদে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৭১-এ বিহারে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৭৮-এ আলিগড়ে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৭৮-৮০ পর্যন্ত বিহারের জামশেদপুর ও উত্তর প্রদেশের ভানারসিতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৮০ তে উত্তর প্রদেশের মুরাদাবাদে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৮১-তে আলিগড়ের মিনাকশিপুরাম ও বিহারাশরীফে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৮২-তে উত্তর প্রদেশে মিরাটে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৮৩-তে আসামে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৮৩-তে কর্নটকে ভাটাকালে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৮৬ তে বিহারে নেওয়াদাতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৮৭-তে উত্তর প্রদেশের মিরাটে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা ১৯৮৯-তে বিহারের ভাগলপুরে মুসলিম নিধনে দ...

সুলতান মাহমুদ গজনবী জন্ম ৯৭১ সালের ১ নভেম্বর, ৩৫৭ হিজরি ১০ ই মহররম ।

সুলতান মাহমুদ গজনবী জন্ম ৯৭১ সালের ১ নভেম্বর, ৩৫৭ হিজরি ১০ ই মহররম । যার নাম সুনলে হাজার বছর পরে আজও মূর্তি পুজারি হিন্দুদের গায়ে কাঁটা দেয়, কলজা কেপে উঠে । ইতিহাসে যিনি আখ্যা পেয়েছেন "মূর্তি সংহারক" নামে। লেখক এনায়েতুল্লাহর "সুলতান মাহমুদ গজনবীর ভারত অভিজান" বইএর ১ম খণ্ডের ১৬১ পৃষ্ঠায় রাজা জয়পালের উজির উদয় সংকর মোসলমানদের উদ্দেশে রাজা জয়পাল কে যেই পরামর্শ গুলো দিয়েছিল নিচে সেই গুলো হুবাহু তুলে ধরা হোল। মনে হচ্ছে আজও হিন্দুরা উজির উদয় শঙ্করের সেই পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করছে। "আমাদের কে মুসলমানদের বুকের আগুন নিভাতে হবে। আর এই আগুন হোল এদের ইমান আর বিসসাসের আগুন। গাছের পাতা ঝরে পরলে গাছ মরে না, গাছের সিকর কেটে দিতে হয়। আগুন জেলে আগুন নিভানো যাবে না। পানি ঢালতে হবে । আপনাকে আগুনের মত তপ্ত মাথায় নয় ঠাণ্ডা মাথায় পানি ঢালার বেবস্থা করতে হবে। বলল উজির উদয় সংকর। এখান কার মোসলমানদের জুলুম করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ( তখন জুলুম করার সুযোগ পায় নাই বিধায় করে নাই) মুসলিম নেতাদের উপহার উপখকন দিয়ে বাগে আনতে হবে। তাদের ইজ্জত/ ইক্রামের রাতের দরবার ও সূরা গানের আসরে দাওয়...

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক বলেছে, "প্রধান বিচারপতি নিজেই স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার ।

Bild
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক বলেছে, "প্রধান বিচারপতি নিজেই স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার । প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নিজেই স্বীকার করেছে,সে মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি (পিচ) কমিটির সদস্য ছিল যাদের কাজ ছিল একাত্তরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করা । https://goo.gl/3AO41d কি অদ্ভুত দেশ এই বাংলাদেশ!!! প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা স্বাধীনতা বিরোধী, রাজাকার : বিচারপতি মানিক অবসরে যাওয়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক… YOUTUBE.COM

১৯৮৩ সালের নেলির গণহত্যা। ৬ ঘন্তায় হত্তা করা হয় ৫ হাজার মুসলমান ।

Bild
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে আসামে বাঙ্গালি মুসলমানদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তারা সেখানে অনেকদিন থেকেই বসবাস করে আসছিলেন। আর এই কারণে উগ্র হিন্দুরা এটা মেনি নিতে পারে নি। ১৯৭৯ সালের শুরুর দিকে, আসামে নির্বাচন কমিশন ৪৫ হাজার মুসলমান বাঙ্গালি ভোটারকে ভোটের অধিকার দেয় । আর তাই অল আসাম স্টুডেন্ট ফোরাম ঘোষণা করে মুসলমান বাঙ্গালিদের ভোটার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করলে আসামে রক্তের হলী খেলা বয়ে দেয়া হবে। শুরু হয় বাংলাদেশী মুসলমান খেদাও আন্দোলন। সাথে যোগ দেয় আরও কিছু রাজনৈতিক সংগঠন। গঠন হয় ll Assam Gana Sangram Parishad (AGSP)।AGSP বাংলাদেশী খেদাও আন্দোলনে ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ এর মত খুন দেড় হাজার এর বেশী মানুষ আহত, জ্বালাও পোড়াও সহ অনেক ঘটনা ঘটে। ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন গোষনা করেন।নির্বা চনের তারিখ ঘোষণার দিন থেকে আসাম অগ্নিগর্ভ ধারণ করে। AGSP নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেয়। জনতা নির্বাচনের দাবিতে মিছিল করেন। ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে তারা জোড় দাবিতে সোচ্ছার হন। সারা আসামে রিউমার ছড়ানো হয় হাজার হাজার বাংলাদেশী মুসলমান বাংলাদেশ থে...