১৯৮৩ সালের নেলির গণহত্যা। ৬ ঘন্তায় হত্তা করা হয় ৫ হাজার মুসলমান ।
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে আসামে বাঙ্গালি মুসলমানদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তারা সেখানে অনেকদিন থেকেই বসবাস করে আসছিলেন। আর এই কারণে উগ্র হিন্দুরা এটা মেনি নিতে পারে নি। ১৯৭৯ সালের শুরুর দিকে, আসামে নির্বাচন কমিশন ৪৫ হাজার মুসলমান বাঙ্গালি ভোটারকে ভোটের অধিকার দেয় ।
আর তাই অল আসাম স্টুডেন্ট ফোরাম ঘোষণা করে মুসলমান বাঙ্গালিদের ভোটার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করলে আসামে রক্তের হলী খেলা বয়ে দেয়া হবে। শুরু হয় বাংলাদেশী মুসলমান খেদাও আন্দোলন। সাথে যোগ দেয় আরও কিছু রাজনৈতিক সংগঠন। গঠন হয়
আর তাই অল আসাম স্টুডেন্ট ফোরাম ঘোষণা করে মুসলমান বাঙ্গালিদের ভোটার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করলে আসামে রক্তের হলী খেলা বয়ে দেয়া হবে। শুরু হয় বাংলাদেশী মুসলমান খেদাও আন্দোলন। সাথে যোগ দেয় আরও কিছু রাজনৈতিক সংগঠন। গঠন হয়
ll Assam Gana Sangram Parishad (AGSP)।AGSP বাংলাদেশী খেদাও আন্দোলনে ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ এর মত খুন দেড় হাজার এর বেশী মানুষ আহত, জ্বালাও পোড়াও সহ অনেক ঘটনা ঘটে। ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন গোষনা করেন।নির্বা চনের তারিখ ঘোষণার দিন থেকে আসাম অগ্নিগর্ভ ধারণ করে। AGSP নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেয়। জনতা নির্বাচনের দাবিতে মিছিল করেন। ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে তারা জোড় দাবিতে সোচ্ছার হন।
সারা আসামে রিউমার ছড়ানো হয় হাজার হাজার বাংলাদেশী মুসলমান বাংলাদেশ থেকে এসে ভোটে অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশী মুসলমানদের শিক্ষা দেয়ার জন্য AGSP শপথ নেয়। গঠন করা হয় আলাদা আরেকটি ফোরাম। এদিকে ভোট গ্রহন চলছিলো। আসামের মরিগণ জেলার একটা অংশের কথা। সেখানে মোহাম্মাদ হোসেন নামের এক স্বতন্ত্র প্রার্থী হেমান্দ্র নারায়ণ নামের এক প্রার্থীকে হারিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। হেমান্দ্র নারায়ণ ২৫ বছর ধরে ঐ এলাকা শাসন করে আসছিলেন। এতে করে আরো তেলে বেগুনে জ্বলে উঠা AGSP। প্রতিশোধ নেশায় পাগল হয়ে যায়।
Nellie Massacre হয়েছিল আসামে ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩ সালে। ৬ ঘণ্টায় ৫০০০ মুসলমানকে হত্যা করা হয়।এ হত্যাকান্ডের এখনো একটিরও বিচার হয়নি। আসামের ১৪ টি গ্রামে এই হত্যা যোগ্য চালানো হয় গ্রাম গুলো সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়া হয়,তার মধ্যে একটি ছিল Nellie । এই হত্যার কারন ছিল মুলত আসামের বিরোধী দলের দাবী। তারা দাবী করে যদি অবৈধ আধিবাসিদের সরানো না হয় তবে তারা নির্বাচনে অংশ নিবে না। তাদের এই দাবির প্রেক্ষিতে ভারতের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী RSS এই হত্যা যোগ্য পরিচালনা করে।
এই নির্মম হত্যার পর ভারত সরকার জুলুমের শিকারদের মাত্র ৫০০০ টাকা ধরিয়ে দেয়। ৩১০ টি মামলা হয় এই জঘন্য হত্যাকারিদের কিন্তু কোনটিরই পরে মিমাংশা হয়নি এবং অপরাধীরা কোন শাস্তি পায়নি।
সেই ন্যক্কারজনক ঘটনা যাতে বিশ্ববাসী না জানতে পারে তাই ভারতীয় পশুরা উইকিপিডিয়া থেকে সব ছবি মুছে দিয়েছে।
সূত্রঃ http://goo.gl/KOoXPE , http://goo.gl/psau8U
সারা আসামে রিউমার ছড়ানো হয় হাজার হাজার বাংলাদেশী মুসলমান বাংলাদেশ থেকে এসে ভোটে অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশী মুসলমানদের শিক্ষা দেয়ার জন্য AGSP শপথ নেয়। গঠন করা হয় আলাদা আরেকটি ফোরাম। এদিকে ভোট গ্রহন চলছিলো। আসামের মরিগণ জেলার একটা অংশের কথা। সেখানে মোহাম্মাদ হোসেন নামের এক স্বতন্ত্র প্রার্থী হেমান্দ্র নারায়ণ নামের এক প্রার্থীকে হারিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। হেমান্দ্র নারায়ণ ২৫ বছর ধরে ঐ এলাকা শাসন করে আসছিলেন। এতে করে আরো তেলে বেগুনে জ্বলে উঠা AGSP। প্রতিশোধ নেশায় পাগল হয়ে যায়।
Nellie Massacre হয়েছিল আসামে ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩ সালে। ৬ ঘণ্টায় ৫০০০ মুসলমানকে হত্যা করা হয়।এ হত্যাকান্ডের এখনো একটিরও বিচার হয়নি। আসামের ১৪ টি গ্রামে এই হত্যা যোগ্য চালানো হয় গ্রাম গুলো সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়া হয়,তার মধ্যে একটি ছিল Nellie । এই হত্যার কারন ছিল মুলত আসামের বিরোধী দলের দাবী। তারা দাবী করে যদি অবৈধ আধিবাসিদের সরানো না হয় তবে তারা নির্বাচনে অংশ নিবে না। তাদের এই দাবির প্রেক্ষিতে ভারতের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী RSS এই হত্যা যোগ্য পরিচালনা করে।
এই নির্মম হত্যার পর ভারত সরকার জুলুমের শিকারদের মাত্র ৫০০০ টাকা ধরিয়ে দেয়। ৩১০ টি মামলা হয় এই জঘন্য হত্যাকারিদের কিন্তু কোনটিরই পরে মিমাংশা হয়নি এবং অপরাধীরা কোন শাস্তি পায়নি।
সেই ন্যক্কারজনক ঘটনা যাতে বিশ্ববাসী না জানতে পারে তাই ভারতীয় পশুরা উইকিপিডিয়া থেকে সব ছবি মুছে দিয়েছে।
সূত্রঃ http://goo.gl/KOoXPE , http://goo.gl/psau8U

Kommentarer
Skicka en kommentar